وَقَوْلِهِ تَعَالَى (فَإِنْ أُحْصِرْتُمْ فَمَا اسْتَيْسَرَ مِنْ الْهَدْيِ وَلاَ تَحْلِقُوا رُءُوسَكُمْ حَتَّى يَبْلُغَ الْهَدْيُ مَحِلَّهُ) وَقَالَ عَطَاءٌ الإِحْصَارُ مِنْ كُلِّ شَيْءٍ يَحْبِسُهُ قَالَ أَبُو عَبْد اللهِ (حَصُورًا) لاَ يَأْتِي النِّسَاءَ আর মহান আল্লাহর বাণীঃ কিন্তু যদি তোমরা বাধাপ্রাপ্ত হও, তাহলে কুরবানীর জন্য যা কিছু সহজলভ্য তা-ই কুরবানী কর। কুরবানীর পশু যথাস্থানে না পৌঁছা (যবহ করা) পর্যন্ত তোমরা মাথা মুন্ডন করবে না। (আল-বাকারাহঃ ১৯৬) ‘আত্বা (রহ.) বলেন, الإحْصَارُ مِنْ كُلِّ شَيْءٍ يَحْبِسُهُ -যা আটকিয়ে রাখে বা বাধা সৃষ্টি করে তাকে ইহসার বলে। আবূ ‘আবদুল্লাহ (রহ.) বলেন, حَصُورًا (হাসূর) মানে যিনি স্ত্রী সম্ভোগ করেন না। ১৮০৬. নাফি‘ (রহ.) হতে বর্ণিত যে, হাঙ্গামা চলাকালে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) ‘উমরাহ’র নিয়্যাত করে মক্কায় রওয়ানা হবার পর বললেন, বাইতুল্লাহর পথে বাধাগ্রস্ত হলে, তাই করব যা করেছিলাম আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে। তাই তিনি ‘উমরাহ’র ইহরাম বাঁধলেন। কেননা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -ও হুদাইবিয়ার বছর ‘উমরাহ’র ইহরাম বেঁধেছিলেন। (১৬৩৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬৭৭. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
Sahih al BukhariHadith 1806
1806