ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মাদ্বীনায় আগমন করেন তখন লোকেরা এক বা দু’ বছরের বাকীতে [রাবী ইসমাঈল সন্দেহ করে বলেন, দু’ অথবা তিন বছরের (মেয়াদে) খেজুর সলম (পদ্ধতিতে) বেচা-কেনা করত। এতে তিনি বললেন,] যে ব্যক্তি খেজুরে সলম করতে চায় সে যেন নির্দিষ্ট মাপে এবং নির্দিষ্ট ওজনে সলম করে। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০৯৭) মুহাম্মাদ (রহ.) .... ইবনু আবূ নাজীহ (রহ.) হতে নির্দিষ্ট মাপে এবং নির্দিষ্ট ওজনে (সলম করার কথা) বর্ণিত রয়েছে। (২২৪০, ২২৪১, ২২৫৩, মুসলিম ২২/২৫, হাঃ ১৬০৪, আহমাদ ২৪৫৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
No translation available for this language.
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মদ্বীনায় আসেন তখন মদ্বীনাবাসী ফলে দু’ ও তিন বছরের মেয়াদে সলম করত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, কোন ব্যক্তি সলম করলে সে যেন নির্দিষ্ট মাপে এবং নির্দিষ্ট ওজনে নির্দিষ্ট মেয়াদে সলম করে। (২২৩৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৮২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০৯৯) আলী ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহ.) ....... ইবনু আবূ নাজীহ (রহ.) সূত্রে বর্ণিত, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সে যেন নির্দিষ্ট মেয়াদে সলম করে। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
No translation available for this language.
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (মদিনা) আসেন এবং বলেন, নির্দিষ্ট মাপে, নির্দিষ্ট ওজনে ও নির্দিষ্ট মেয়াদে (সলম) কর। (২২৩৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৮৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
মুহাম্মাদ অথবা ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবুল মুজালিদ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু শাদ্দাদ ইবনু হাদ ও আবূ বুরদাহ (রহ.)-এর মাঝে সলম কেনা-বেচার ব্যাপারে মতভেদ দেখা দিলে তাঁরা আমাকে ইবনু আবূ ‘আওফা (রাঃ)-এর নিকট পাঠান। আমি এ বিষয়ে তাঁকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম , আবূ বাকর ও ‘উমার (রাঃ)-এর যুগে আমরা গম, যব, কিসমিস ও খেজুরে সলম করতাম। (তিনি আরো বলেন) এবং আমি ইবনু আবযা (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলে তিনিও অনুরূপ বলেন। (২২৪২=২২৪৪, ২২৫৫) (২২৪৩=২২৪৫, ২২৫৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
মুহাম্মাদ অথবা ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবুল মুজালিদ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু শাদ্দাদ ইবনু হাদ ও আবূ বুরদাহ (রহ.)-এর মাঝে সলম কেনা-বেচার ব্যাপারে মতভেদ দেখা দিলে তাঁরা আমাকে ইবনু আবূ ‘আওফা (রাঃ)-এর নিকট পাঠান। আমি এ বিষয়ে তাঁকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম , আবূ বাকর ও ‘উমার (রাঃ)-এর যুগে আমরা গম, যব, কিসমিস ও খেজুরে সলম করতাম। (তিনি আরো বলেন) এবং আমি ইবনু আবযা (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলে তিনিও অনুরূপ বলেন। (২২৪২=২২৪৪, ২২৫৫) (২২৪৩=২২৪৫, ২২৫৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
মুহাম্মাদ ইবনু আবূ মুজালিদ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু শাদ্দাদ ও আবূ বুরদাহ (রহ.) আমাকে ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ ‘আওফা (রাঃ)-এর কাছে পাঠান। তাঁরা বললেন যে, (তুমি গিয়ে) তাঁকে জিজ্ঞেস কর, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর যুগে সাহাবায়ে কিরাম গম বিক্রয়ে কি সলম (পদ্ধতি গ্রহণ) করতেন? ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, আমরা সিরিয়ার লোকদের সঙ্গে গম, যব ও কিসমিস নির্দিষ্ট মাপে ও নির্দিষ্ট মেয়াদে সলম করতাম। আমি বললাম, যার কাছে এসবের মূল বস্তু থাকত তার সঙ্গে? তিনি বললেন, আমরা এ সম্পর্কে তাদের জিজ্ঞেস করিনি। তারপর তাঁরা দু’জনে আমাকে আবদুর রহমান ইবনু আবযা (রাঃ)-এর কাছে পাঠালেন এবং আমি তাঁকে (এ ব্যাপারে) জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর যুগে সাহাবীগণ সলম করতেন, কিন্তু তাদেরকে জিজ্ঞেস করতেন না যে, তাঁদের কাছে মূল বস্তু মওজুদ আছে কি-না। (২২৪২, ২২৪৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২১০৩) মুহাম্মাদ ইবনু আবূ মুজালিদ (রহ.) হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বলেছেন, আমরা তাঁদের সঙ্গে গম ও যবে সলম করতাম। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২১০৪) শায়বানী (রহ.) হতে বর্ণিত যে, রাবী বলেন, গম, যব ও ও কিসমিসের (সলম করতেন)। ‘আবদুল্লাহ ইবনুল ওয়ালীদ (রহ.) সুফিয়ান (রহ.) সূত্রে শায়বানী (রহ.)-এর বর্ণনায় রয়েছে ‘‘এবং যায়তুনে’’। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
No translation available for this language.
আবুল বাখতারী তাঈ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে খেজুরে ‘সলম’ করা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খেজুর খাবার যোগ্য এবং ওজন করার যোগ্য হওয়ার আগে বিক্রি করা নিষেধ করেছেন। ঐ সময় এক ব্যক্তি বলল, কী ওজন করবে? তার পাশের এক ব্যক্তি বলল, সংরক্ষিত হওয়া পর্যন্ত। মুআয (রহ.) সূত্রে শু’বা (রহ.) হতে আমর (রহ.) হতে বর্ণিত, আবুল বাখ্তারী (রহ.) বলেছেন, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপ (করতে) নিষেধ করেছেন। (২২৪৭, ২২৫০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৮৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)