। জাবির (রাঃ) বলেন, মু‘আয (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে সালাত আদায়ের পর ফিরে এসে আমাদের সালাতে ইমামতি করতেন-বর্ণনাকারী পুনরায় বলেন, তিনি ফিরে এসে স্বীয় সম্প্রদায়ের লোকদের সালাতে ইমামতি করতেন। এক রাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘ইশার সালাত আদায়ে বিলম্ব করেন। সেদিনও মু‘আয (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে ‘ইশার সালাত আদায়ের পর স্বীয় সম্প্রদায়ের নিকট গিয়ে তাদের ইমামতি করেন এবং উক্ত সালাতে তিনি সূরাহ আল-বাক্বারাহ পাঠ করলে এক ব্যক্তি জামা‘আত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে একাকী সালাত আদায় করে নেয়। ফলে বলা হলো, হে অমুক! তুমি কি মুনাফিক হয়ে গেলে নাকি? লোকটি বললঃ আমি মুনাফিক হই নাই। পরে লোকটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল! মু‘আয (রাঃ) আপনার সাথে সালাত আদায় শেষে ফিরে গিয়ে আমাদের সালাতের ইমামতি করেন। আমরা মেহনতী মজদুর লোক এবং নিজেরাই ক্ষেতের কাজ-কর্ম করে থাকি। অথচ মু‘আয (রাঃ) আমাদের সালাতে ইমামতিকালে সূরাহ বাক্বারাহ পড়েন (অর্থাৎ দীর্ঘ সুরাহ পাঠ করে থাকেন)। এ কথা শুনে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (মু‘আয (রাঃ)-কে সম্বোধন করে) বললেনঃ হে মু‘আয! তুমি কি ফিতনা সৃষ্টিকারী? তুমি কি লোকদের ফিতনায় ফেলতে চাও? তুমি সালাতে অমুক অমুক (ছোট) সূরাহ পাঠ করবে। আবূয যুবায়ির বলেন, সূরাহ আল-‘আলা, ওয়াল লাইলি ইযা ইয়াগশা এ ধরনের (ছোট) সূরাহ পাঠ করবে। অতঃপর আমরা তা (বর্ণনাকারী) ‘আমরের নিকট উল্লেখ করলে তিনি বলেন, আমার ধারণা, তিনি সেটাও উল্লেখ করেছেন। [1] সহীহ।
Sunan Abu DawudHadith 790
790
Sahih+3
SahihAl-Albani
SahihMuhammad Muhyi Al-Din Abdul Hamid