Sunan Abu Dawud
741
Sahih+2

। নাফি' (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনু ‘উমার (রাঃ) সালাতে দাঁড়িয়ে তাকবীর বলার সময়, রুকু‘তে গমনকালে, রুকু‘ হতে মাথা উত্তোলনকালে সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ্ বলে এবং দুই রাক‘আত সালাত আদায়ের পর (তৃতীয় রাক‘আতের জন্য) দাড়ানোর সময় উভয় হাত উত্তোলন করতেন। তিনি এর বর্ণনা সূত্র রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত পৌঁছিয়েছেন (অর্থাৎ এটি মারফূ হাদীস)। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, সঠিক হচ্ছে, এটি ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর বক্তব্য, মারফূ হাদীস নয়। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) আরো বলেন, প্রথম হাদীসের দুই রাক‘আত সালাত শেষে দাঁড়ানোর সময় হাত উত্তোলনের কথাটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রে বর্ণিত নয়। আর সাক্বাফী এটি ‘উবাইদুল্লাহ সূত্রে ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর মাওকূফ বর্ণনা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাতে উল্লেখ আছেঃ ‘‘তিনি দু’ রাক‘আত সালাত শেষে দাড়ানোর সময় উভয় হাত বক্ষ পর্যন্ত উঠাতেন।’’ এ বর্ণনাটি সহীহ।[1] সহীহ : বুখারী। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) আরো বলেন, লাইস ইবনু সা‘দ, মালিক, আইয়ূব ও ইবনু জুরায়িজ প্রমুখ বর্ণনাকারীগণ এর বর্ণনা সূত্র সাহাবী পর্যন্ত পৌঁছিয়েছেন। হাম্মাদই কেবল এককভাবে হাদীসকে মারফূ হিসাবে বর্ণনা করেছেন। বর্ণনাকারী ইবনু জুরায়িজ বলেন, আমি নাফি‘কে জিজ্ঞাসা করলাম, ইবনু ‘উমার (রাঃ) কি অন্য সময়ের চেয়ে তাকবীরে তাহরীমা বলার সময় তাঁর হাত অধিক উঠাতেন? তিনি বলেন, না; বরং তিনি সব সময়ই একইভাবে হাত উঠাতেন। আমি বললাম, আমাকে ইশারায় দেখিয়ে দিন। তিনি তার বুক বা তার চেয়ে একটু নীচে পর্যন্ত ইশারা করে দেখালেন।

SahihAl-Albani
SahihMuhammad Muhyi Al-Din Abdul Hamid