। আলী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বাকি আল-গারকাদে এক জানাযায় ছিলাম। সেখানে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-ও উপস্থিত ছিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এসে বসলেন এবং তাঁর সঙ্গের লাঠি দিয়ে মাটির উপর আঁচড় দিতে লাগলেন। অতঃপর তিনি মাথা তুলে বললেনঃ তোমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই, এমন কোনো নিঃশ্বাসধারী নেই যার জাহান্নামে বা জান্নাতে নেককার ও বদকার হিসেবে ঠিকানা লিখে রাখা হয়নি। আলী (রাঃ) বলেন, উপস্থিত জনতার মধ্য থেকে একজন বললো, হে আল্লাহর নবী! তাহলে আমরা কি আমাদের ঐ লেখার উপর নির্ভর করে আমল ছেড়ে দিবো না? অতঃপর যার সৌভাগ্যবান হিসেবে লেখা আছে সে ভালো কাজেই অবসর হবে, আর আমাদের মধ্যে যার নাম হতভাগা ও পাপীষ্ঠ হিসেবে আছে সে পাপ কাজেই অগ্রসর হবে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা আমল করতে থাকো। কেননা প্রত্যেকের জন্য সেটাই সহজ করা হয়েছে যার জন্য তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে। যে ভাগ্যবান সৎকর্ম তার জন্য সহজ হয়, আর যে পাপিষ্ঠ তার জন্য পাপ কাজ সহজ হয়। অতঃপর আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরআনের এ আয়াত পাঠ করলেনঃ সুতরাং দান করলে, মুক্তাকী হলে এবং যা উত্তম তা গ্রহণ করলে, আমি তার জন্য সুগম করে দিবো সহজ পথ। আর কেউ কৃপণতা করলে এবং স্বয়ংসম্পূর্ণ মনে করলে, আর যা উত্তম তা বর্জন করলে আমি তার জন্য সুগম করে দিবো কঠোর পরিণতির পথ।’’ (সূরা আল-লাইলঃ ৫-১০)।[1] সহীহ।
Sunan Abu DawudHadith 4694
4694
Sahih+3
SahihAl-Albani
SahihMuhammad Muhyi Al-Din Abdul Hamid