। যায়িদ ইবনু সাবিত (রাঃ) সূত্রে কঠোর দিয়াত সম্পর্কে বর্ণিত। অতঃপর পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ।[1] সনদ সহীহ। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, আবূ উবাইদ প্রমুখ বলেছেন, যখন কোনো উষ্ট্রী চতুর্থ বছর বয়সে পদার্পণ করে তখন পুরুষ উটকে বলা হয় হিক্কুন এবং স্ত্রী উটকে বলা হিক্কাতুন। কারণ, তখন ঐ উট বা উষ্ট্রী বাহনোপযোগী ও ভারবাহী পশুতে পরিণত হয়। যখন তা পঞ্চম বছরে পদার্পণ করে তখন পুরুষটিকে জাযউন ও স্ত্রীটিকে জাযআতুন বলা হয়। যখন তা ষষ্ঠ বচরে পদার্পণ করে এবং তার উপর ও নীচের মাড়ির সামনের দিকে দু’টি করে মোট চারটি দাঁত পড়ে যায় তখন তাকে সানিয়ুন ও ছানিয়্যাতুন বলা হয়। যখন তা সপ্তম বছরে পদার্পণ করে তখন যথাক্রমে রাবাউন ও রাব‘ইয়্যাহ বলা হয়। যখন তা অষ্টম বছরে পদার্পণ করে এবং সামনের চারটি দাঁতের পরবর্তী দাঁত পড়ে যায় তখন তাকে যথাক্রমে সাদীস ও সাদাস বলা হয়। যখন তা নবম বছরে পদার্পণ করে এবং তার দাঁত পুনরায় ওঠে তখন তাকে বাযিল বলা হয়। আর যখন দশম বছরে পদার্পণ করে তখন তাকে মুখলিফ বলা হয়। এরপর নির্ধারিত কোনো নাম নেই বরং এক বছর বেশী হলে বাযিলে ‘আম ও দু’ বছরের বেশী হলে বাযিলে ‘আমাইন বলা হয়। অতঃপর এক বছর হলে মিখলাফে ‘আম ও দু’ বছর হলে মিখলাফে ‘আমাইন বলা হয়, অতঃপর এভাবে নামকরণ করা হয়। নাদর ইবনু শুমাইল (রহঃ) বলেন, এক বছর হলে বিনতু মাখাদ, দু’ বছর হলে বিনতু লাবুন, তিন বছর হলে হিক্কাহ, চার বছর হলে জাযা‘আহ পাঁচ বছর হলে সানিয়্যু, ছয় বছর হলে রাবা‘, সাত বছর হলে সাদীস, আট বছর হলে বাযিল বলা হয়। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, আবূ হাতিম ও আল-আসমাঈ বলেন, জাযা‘আহ হচ্ছে সময়, তা বয়স নয়। আবূ হাতিম (রহঃ) বলেন, কতিপয় বিশেষজ্ঞ বলেন, সম্মুখের দাঁত পড়ে গেলে বলা হয় রাবা‘উন। আর মাড়ির দাঁত পড়ে গেলে বলা হয় সানী। আবূ উবাইদ (রহঃ) বলেন, উষ্ট্রী গর্ভবর্তী হলে খালিফাহ বলা হয়। অতঃপর দশ মাসের পূর্ব পর্যন্ত তাকে খালিফাহ বলা হয়ে থাকে। কিন্তু যখন দশম মাসে পদার্পণ করে তখন তাকে উশারা বলা হয়। আবূ হাতিম (রহঃ) বলেন, যখন উপর ও নীচের মাড়ির সামনের দু’টি করে দাঁত পড়ে যায় তখন তাকে সানিয়্যন বলা হয়। আর যখন চারটি দাঁত পড়ে যায় তখন তাকে বলা হয় রাবা‘উন।
Sunan Abu DawudHadith 4555
4555
Sahih Isnaad+3
Sahih IsnaadAl-Albani
Sahih IsnaadMuhammad Muhyi Al-Din Abdul Hamid