Sunan Abu Dawud
4329
Sahih+3

। ইবনু উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর এক দল সাহাবীসহ ইবনুস সাইয়্যাদের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তাদের সঙ্গে উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-ও ছিলেন। এ সময় সে (ইবনু সাইয়্যাদ) কয়েকজন বালকের সঙ্গে ‘মাগালা’ গোত্রের দূর্গের পাশে খেলা করছিল। সেও ছিলো বালক বয়সী। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাত দিয়ে তার পিঠ স্পর্শ করার পূর্ব পর্যন্ত সে কিছুই টের পায়নি। তিনি তাকে প্রশ্ন করলেনঃ আমি যে রাসূলুল্লাহ, তুমি কি এ কথার সাক্ষ্য দাও? বর্ণনাকারী বলেন, ইবনু সাঈদ তার দিকে তাকিয়ে বললো, আমি সাক্ষ্য দেই যে, আপনি নিরক্ষরদের নবী। সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বললো, আপনি কি সাক্ষ্য দেন যে, আমি আল্লাহর রাসূল! নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, আমি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলদের প্রতি ঈমান এনেছি। পুনরায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে প্রশ্ন করলেনঃ তোমার নিকট কি আসে? সে বললো, আমার নিকট সত্যবাদীও আসে, মিথ্যাবাদীও আসে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, তোমার ব্যাপারটা ঘোলাটে হয়ে গেলো। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমি তোমার জন্য একটি বিষয় গোপন রেখেছি। তিনি নিম্নোক্ত আয়াত তার জন্য গোপন রেখেছিলেনঃ ‘‘যে আকাশ স্পষ্ট ধোয়াচ্ছন্ন হয়ে যাবে’’ (সূরা দুখান- আয়াত নং ১০)। ইবনু সাইয়্যাদ বললো, সেটা ধোয়াদারী। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেনঃ দূর হও, তুমি তোমার অনুমান থেকে কখনো অগ্রসর হতে পারবে না। উমার (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! অনুমতি দিন আমি তার ঘাড়ে আঘাত হানি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এ যদি সেই (দাজ্জাল) হয়ে থাকে, তবে তুমি তার অর্থাৎ (দাজ্জালের) উপর শক্তি খাটিয়েও কাবু করতে পারবে না! আর যদি সে তা না হয়ে থাকে, তবে তাকে হত্যা করায় কোনো কল্যাণ নেই।[1] সহীহ।

SahihAl-Albani
SahihMuhammad Muhyi Al-Din Abdul Hamid