। উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, মদ পান হারাম হওয়া সম্পর্কিত আদেশ তখনও অবতীর্ণ হয়নি। আমি বললাম, হে আল্লাহ! আমাদের জন্য মদের বিষয়টি সুস্পষ্ট করো দিন। অতঃপর সূরা আল-বাকারাহর (২১৯ নং) আয়াত অবতীর্ণ হলোঃ ‘‘(হে রাসূল!) তারা আপনাকে মদ ও জুয়া সম্পর্কে প্রশ্ন করছে। আপনি বলুন, উভয়ের মধ্যে বড় বড় পাপের উপাদান আছে, যদিও এতে লোকদের জন্য কিছুটা উপকারিতাও আছে। কিন্তু উভয় কাজের পাপ ও অকল্যাণের পরিমাণ উপকারিতার চেয়ে অনেক বেশি।’’ অতঃপর উমার (রাঃ)-কে ডাকা হলো এবং তাকে এ আয়াত পড়ে শুনানো হলো। তিনি বললেন, হে আল্লাহ! মদের ব্যাপারে আমাদের সুস্পষ্ট বলে দিন। অতঃপর সূরা আন-নিসার (৪২নং) আয়াত অবতীর্ণ হলোঃ ‘‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা মাতাল অবস্থায় সালাতের কাছেও যাবে না, সালাত তখন পড়বে যখন তোমরা বুঝতে পারো তোমরা কি পড়ছো।’’ এরপর থেকে যখন সালাতের জামা‘আত প্রস্তুত হতো, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ঘোষক ঘোষণা করতেন, সাবধান! মাতাল অবস্থায় সালাতের কাছেও আসবে না। উমার (রাঃ)-কে ডেকে এনে এ আয়াত পড়ে শুনানো হলো। তিনি আবার দু‘আ করলেন, হে আল্লাহ! মদের বিষয়ে সুস্পষ্টভাবে বলে দিন। তখন এ আয়াত অবতীর্ণ হলোঃ ‘‘হে আল্লাহ! ঈমানদারগণ! মদ, জুয়া, আস্তানা ও পাশা এসবই নাপাক, শয়তানী কাজ। তোমরা এসব থেকে দূরে থাকো...।’’ (সূরা আল-মায়িদাহঃ ৯০-৯১)। উমার (রাঃ) বলেন, আমরা এসব কাজ বর্জন করলাম।[1] সহীহ।
Sunan Abu DawudHadith 3670
3670
Sahih+2
SahihAl-Albani
SahihMuhammad Muhyi Al-Din Abdul Hamid