। ‘আমর ইবনু শু‘আইব (রহঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। রিয়াব ইবনু হুযাইফাহ জনৈক মহিলাকে বিবাহ করে এবং তার গর্ভে তিনটি সন্তান জন্ম হয়। অতঃপর তাদের মা মারা গেলে তারা তার পরিত্যক্ত বাড়ি ও আযাদকৃত দাসের সম্পদের উত্তরাধিকারী হয়। ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) ছিলেন তাদের আত্মীয়। পরবর্তী সময় তিনি তাদেরকে সিরিয়ায় প্রেরণ করেন। তারা সেখানে মৃত্যু বরণ করে। পরে ‘আমর ইবনুল ‘আস সেখানে যান। তখন ঐ মহিলার মুক্তদাস কিছু মালপত্র রেখে মারা যায়। মহিলার ভাইয়েরা আমরের বিরুদ্ধে ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-এর নিকট অভিযোগ করলে ‘উমার (রাঃ) বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ পিতা বা পুত্র যে ওয়ালাআ সঞ্চয় করলো সেগুলো তার আসাবা পাবে। ‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) বলেন, ‘উমার (রাঃ) আমাকে একটি রায় লিখেন। এতে ‘আব্দুর রাহমান ইবনু ‘আওফ, যায়িদ ইবনু সাবিত (রাঃ) ও অন্য এক লোক সাক্ষী হন। ‘আব্দুল মালিক যখন (৬৮৫ খৃঃ) খলীফা হলেন, তখন হিশাম ইবনু ইসমাঈল বা ইসমাঈল ইবনু হিশামের নিকট অনুরূপ একটি অভিযোগ করা হয়। তিনি বিষয়টি আব্দুল মালিকের নিকট পাঠিয়ে দেন। ‘আব্দুল মালিক বলেন, আমার মনে হয় এর ফায়সালা ইতিপূর্বে আমার নজড়ে পড়েছে। তিনি বলেন, তিনি ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-এর রায় অনুসারেই রায় দিলেন। আর সেই ওয়ালাআর সম্পত্তি এখনো আমাদের অধিকারে রয়েছে।
Sunan Abu DawudHadith 2917
2917
Hasan+3
HasanAl-Albani
HasanMuhammad Muhyi Al-Din Abdul Hamid