। হিশাম ইবনু ‘উরওয়াহ (রহ.) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্ত্রী ‘আয়িশাহ (রাঃ)-কে আমার ছেলে বেলায় জিজ্ঞেস করলাম, মহান পরাক্রমশালী আল্লাহর এ বাণী সম্পর্কে আপনার অভিমত কি? ‘‘নিশ্চয়ই সাফা ও মারওয়া আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্তর্ভুক্ত।’’ আমি মনে করি, কেউ এই দুই পাহাড়ের মাঝে তাওয়াফ (সাঈ) না করলে তার কোনো গুনাহ হবে না। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, ‘কখনো নয়, তুমি এই আয়াতের যেরূপ ব্যাখ্যা করলে তা ঠিক হলে আয়াতটি হতো এরূপঃ ‘‘তার কোনো গুনাহ নেই যদি সে এই দুই পাহাড়ের মাঝে তাওয়াফ না করে।’’ মূলতঃ আয়াতটি অবতীর্ণ হয়েছে আনসারদের সম্পর্কে। ইসলাম গ্রহণের পূর্বে তারা ‘‘মানাত’’ মূর্তির উদ্দেশ্যে ইহরাম বাঁধতো। আর এ মানাত মূর্তি ‘‘কুদাইদ’’ পাহাড় বরাবরে অবস্থিত ছিলো। সুতরাং তারা সাফা মারওয়ার মাঝে তাওয়াফ (সাঈ) করাকে আপত্তিকর ভাবতো। ইসলাম গ্রহণের পর এ বিষয়ে তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করলো। তখন মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ অবতীর্ণ করলেনঃ ‘‘নিশ্চয়ই সাফা ও মারওয়া পাহাড়দ্বয় আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্তর্ভুক্ত।’’ (সূরা আল-বাকারাহঃ ১৫৮)[1] সহীহ।
Sunan Abu DawudHadith 1901
1901
Sahih+2
SahihAl-Albani
SahihMuhammad Muhyi Al-Din Abdul Hamid