। আল বারা‘আহ ইবনু ‘আযিব (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন ‘আলী (রাযি.)-কে ইয়ামেন দেশে শাসক করে প্রেরণ করেন তখন আমিও তাঁর সাথে ছিলাম। তিনি বলেন, আমি তাঁর সাথে কয়েক ‘আওকিয়া সোনার’ অধিকারী হয়েছিলাম। তিনি বলেন, যখন ‘আলী (রাযি.) ইয়ামেন থেকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে আসলেন তখন ‘আলী বলেন, আমি ফাতিমা (রাযি.)-কে দেখি রঙিন কাপড় পরে আছে এবং ঘরকে সুগন্ধময় করে রেখেছে। সে আমাকে বললো, আপনার কি হয়েছে? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সাথীদেরকে ইহরাম খুলে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন, সে জন্য সবাই ইহরাম খুলে ফেলেছেন। ‘আলী (রাযি.) বলেন, আমি তাকে বললাম, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ইহরামের মতই ইহরাম বেঁধেছি, এ বলে আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এলে তিনি আমাকে বললেনঃ তুমি কি জন্য ইহরাম বেঁধেছো? আমি বললাম, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে উদ্দেশ্যে ইহরাম বেঁধেছেন আমিও ঐ উদ্দেশ্যে ইহরাম বেঁধেছি। তখন তিনি বললেনঃ ‘আমি কুরবানীর পশু সাথে এনেছি এবং ‘কিরান’ হজের (হজ্জের) নিয়্যাত করেছি। অতঃপর তিনি বললেনঃ আমার জন্য সাতষট্টিটি উট কুরবানী করবে এবং তোমার নিজের জন্য তেত্রিশটি বা চৌত্রিশটি রেখে দিবে আর প্রত্যেকটি উট থেকে আমার জন্য এক টুকরা করে গোশত রেখে দিবে।[1] সহীহ।
Sunan Abu DawudHadith 1797
1797
Sahih+2
SahihAl-Albani
SahihMuhammad Muhyi Al-Din Abdul Hamid