। ‘আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, যিলহজ (হজ্জ) মাসের নতুন চাঁদ উদয়ের কিছু আগে আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে হজের (হজ্জের) উদ্দেশ্যে রাওয়ানা হলাম। তিনি যুল-হুলাইফায় পৌঁছে বললেনঃ কেউ হজের (হজ্জের) ইহরাম বাঁধতে চাইলে বাঁধুক। আর কেউ ‘উমরার ইহরাম বাঁধতে চাইলে সে যেন ‘উমরার ইহরাম বাঁধে। উহাইব থেকে মূসা বর্ণিত হাদীসে রয়েছে, তিনি বলেছেনঃ যদি আমার সাথে কুরবানীর পশু না আনতাম তাহলে ‘উমরার জন্য ইহরাম বাঁধতাম। হাম্মাদ ইবনু সালামাহর হাদীসে রয়েছে, আমি হজের (হজ্জের) ইহরাম বেঁধেছি, কারণ আমার সাথে কুরবানীর পশু আছে। তারপর উভয় বর্ণনাকারী একইরূপ বর্ণনা করেন। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, যারা শুধু ‘উমরার ইহরাম বেঁধেছিলো, আমি তাদের দলভুক্ত ছিলাম। পথিমধ্যে আমি হায়েয আরম্ভ হলো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার কাছে আসলেন, এ সময় আমি কাঁদছিলাম। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ তুমি কাঁদছো কেন? আমি বললাম, কতই না ভালো হতো আমি যদি এ বছর (ঘর থেকে) বের না হতাম। তিনি বললেনঃ তুমি ‘উমরা ত্যাগ করো, মাথার খোপা খুলে ফেলো, চুল আঁচড়িয়ে নাও। মূসার বর্ণনায় রয়েছেঃ এবং হজের (হজ্জের) জন্য ইহরাম বাঁধো। সুলাইমান বলেন, মুসলিমরা হজে (হজ্জে) যেসব অনুষ্ঠান পালন করে তুমিও তা করো। অতঃপর (মক্কা থেকে) ফেরার রাত এলো ‘আব্দুর রহমানকে নির্দেশ করলে তিনি ‘আয়িশাহ (রাঃ)-কে ‘তানঈমে’ নিয়ে যান। মূসার বর্ণনায় আরো রয়েছেঃ তিনি পূর্বের ‘উমরার স্থানে ‘উমরার ইহরাম বাঁধলেন, বাইতুল্লাহ তাওয়াফ করলেন। ফলে আল্লাহ তাঁর উমরা ও হজ (হজ্জ) উভয়টিই পূর্ণ করলেন। হিশামের বর্ণনায় রয়েছেঃ কিন্তু এরূপ করার কারণে তাকে কাফফারাহ হিসেবে কুরবানী দিতে হয়নি। আবূ দাঊদ বলেন, হাম্মাদ ইবনু সালামাহর হাদীসে মূসা বর্ধিত করলেন যে, অতঃপর ‘বাতহা’ উপত্যকায় প্রবেশের রাতে ‘আয়িশাহ (রাঃ) পবিত্র হন।[1] সহীহ।
Sunan Abu DawudHadith 1778
1778
Sahih+3
SahihAl-Albani
SahihMuhammad Muhyi Al-Din Abdul Hamid