Sunan Abu Dawud
1770
Daif+2

। সাঈদ ইবনু যুবায়র (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আব্দুল্লাহ ইবনু ‘‘আব্বাস (রাযি.)-কে বললাম, হে আবুল ‘আব্বাস! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ইহরাম বাঁধার মুহুর্ত বিষয়ে যে মতভেদ করছেন তাতে আমি স্তম্ভিত। ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) বলেন, আমি এই বিষয়ে অন্যদের চেয়ে অধিক অবগত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শুধু একবারই হজ (হজ্জ) করেছেন, আর এটাই তাদের মতভেদের মূল উৎস। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হজের (হজ্জের) উদ্দেশ্যে রাওয়ানা হলেন। তিনি যুল-হুলাইফাতে তাঁর মসজিদে দু‘রাক‘আত সালাত আদায় করলেন এবং ঐ বসাবস্থায় দু‘রাক‘আত শেষ করেই নিজের জন্য হজ (হজ্জ) ওয়াজিব করে নিয়ে ‘তালবিয়া’ পাঠ করলেন। সুতরাং এখানে কিছু লোক তাঁকে ‘তালবিয়া’ পড়তে শুনে তারা তাই স্মরণ রেখেছে। অতঃপর তিনি আরোহণ করলেন এবং উষ্ট্রী তাঁকে পিঠে তুলে নিতে দাঁড়ানোর সময়ও তিনি ‘তালবিয়া’ পড়লেন। সুতরাং আরো কিছু লোক এখানে তাঁকে ‘তালবিয়া’ পড়তে শুনলো। বস্তুতঃ লোকজন পৃথক পৃথকভাবে দলে দলে আসছিল। আর তারা তখন তাঁকে ‘তালবিয়া’ পাঠ করতে শুনলো যখন তিনি উষ্ট্রীর পিঠে আরোহিত অবস্থায় ‘তালবিয়া’ পড়লেন। ফলে তারা এ কথাই বললো যে, উষ্ট্রী তাঁকে তার পিঠে তুলার সময় তিনি ‘তালবিয়া’ পড়েছেন।’ এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্মুখে অগ্রসর হলেন। এবার তিনি ‘আল-বায়দার’ উচ্চভূমিতে চড়লেন এবং এখানেও ‘তালবিয়া’ পাঠ পড়লেন। কিছু লোক তাঁকে এখানে ‘তালবিয়া’ পড়তে শুনে তারা বললো, তিনি তখনই ইহরাম বেঁধে ‘তালবিয়া’ পড়েছেন এবং পরে উষ্ট্রীর পিঠে ও ‘আল-বায়দার’ উচ্চভূমিতে, সর্বত্র সর্বাবস্থায় ‘তালবিয়া’ পড়েছিলেন। অতঃপর সাঈদ ইবনু যুবায়র (রহ.) বলেন, যে ব্যক্তি ইবনু আব্বাসের বর্ণনানুযায়ী কাজ করে, সে যেন দু‘রাক‘আত সালাত শেষে স্বীয় মুসাল্লাতেই ইহরাম বাঁধে।[1] দুর্বল : যখন সুনান তিরমিযী (৮২৫/১৩৫) সংক্ষিপ্তভাবে এ শব্দে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেক সালাতের পর ‘তালবিয়া’ পড়তেন।’ অনুরূপ যঈফ সুনান নাসায়ী

DaifAl-Albani
DaifMuhammad Muhyi Al-Din Abdul Hamid