Sunan Abu Dawud
Sahih
1161

। ‘আব্বাদ ইবনু তামীম (রহঃ) হতে তার চাচার সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বৃষ্টি প্রার্থনার সালাত আদায়ের উদ্দেশে লোকদেরকে নিয়ে বের হলেন এবং তাদেরকে নিয়ে ক্বিবলা (কিবলা/কেবলা)হমুখী হয়ে দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করেন। উভয় রাক‘আতে স্বরবে ক্বিরাআত পাঠ করেন, অতঃপর স্বীয় চাদর উল্টিয়ে নিয়ে দু’ হাত উঠিয়ে বৃষ্টির জন্য দু‘আ করেন।[1] সহীহ।

Sahih
1162

। ইবনু শিহাব (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাকে ‘আব্বাদ ইবনু তামীম আল-মাযিনী (রহঃ) জানালেন, তিনি তার চাচাকে -যিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অন্যতম সাহাবী ছিলেন- বলতে শুনেছেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইসতিসকা সালাতের জন্য বের হলেন এবং লোকদের দিকে পিঠ ফিরিয়ে মহা মহীয়ান আল্লাহর কাছে দু‘আ করেন।[1] বর্ণনাকারী সুলায়মান ইবনু দাঊদ বলেন, তিনি ক্বিবলা (কিবলা/কেবলা)হমুখী হয়ে স্বীয় চাদর উল্টিয়ে নিয়ে দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করেন। ইবনু আবূ যি‘বের বর্ণনায় রয়েছে, তিনি উভয় রাক‘আতে ক্বিরাআত পাঠ করেন। ইবনুস সারাহর বর্ণনায় রয়েছে, তিনি ক্বিরাআত উচ্চস্বরে পাঠ করেছেন। সহীহ : বুখারী ও মুসলিম। তবে মুসলিমে ক্বিরাআত ও উচ্চস্বরে পাঠের কথা নেই।

Sahih
1163

। মুহাম্মাদ ইবনু মুসলিম (রহঃ) হতে নিজস্ব সানাদে এ হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে। তবে তার বর্ণনায় সালাত আদায়ের কথা উল্লেখ নেই। বর্ণনাকারী বলেন, ‘‘তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) স্বীয় চাদর উল্টিয়ে নেন। তিনি ডান স্কন্ধের উপরে রাখা চাদরের ডান পার্শ্বকে বাম কাঁধের উপর এবং বাম কাঁধের উপরে রাখা চাদরের বাম পার্শ্বকে ডান কাঁধের উপর রাখলেন। তারপর মহা মহীয়ান আল্লাহর কাছে দু‘আ করলেন।[1] সহীহ।

Sahih
1164

। ‘আবদুল্লাহ ইবনু যায়িদ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বৃষ্টির জন্য দু‘আ করেন। তখন তাঁর শরীরে কালো বর্ণের একটি চাদর জড়ানো ছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চাদরের নীচের অংশকে উল্টিয়ে উপরে উঠানোর সময় ভারী বোধ করায় তিনি তা কাঁধের উপরে রেখেই উল্টিয়ে নেন।[1] সহীহ।

Hasan
1165

। হিশাম ইবনু ইসহাক ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু কিনানাহ (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার পিতা আমাকে বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ইসতিসকার সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতে আল-ওয়ালীদ ইবনু ‘উতবাহ আমাকে ইবনু ‘আব্বাসের (রাঃ) নিকট পাঠালেন। ‘উসমান ইবনু ‘উক্ববাহ বলেন, ওয়ালীদ ইবনু ‘উতবাহ তখন মদীনার গভর্ণর ছিলেন। ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুরাতন বেশভূষায় ভয় ও বিনয়ী অবস্থায় বের হয়ে ঈদাগাহে গেলেন। অতঃপর তিনি মিম্বারে উঠেন এবং প্রচলিত নিয়মে খুত্ববাহ না দিয়ে তিনি সারাক্ষণ কাকুতি-মিনতি, দু‘আ ও তাকবীর পাঠেরত ছিলেন। অতঃপর তিনি ঈদের সালাতের মত দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করেন।[1] হাসান।

Sahih
1166

। ‘আব্বাদ ইবনু তামীম (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। ‘আবদুল্লাহ ইবনু যায়িদ (রাঃ) তাঁকে বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইসতিস্‌কা সালাত আদায়ের উদ্দেশে ঈদগাহে যান এবং যখন দু‘আর ইচেছ করেন তখন ক্বিবলা (কিবলা/কেবলা)হমুখী হয়ে স্বীয় চাদরখনা উল্টিয়ে নেন।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।

Sahih
1167

। ‘আবদুল্লাহ ইবনু যায়িদ আল-মাযিনী (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদগাহে গিয়ে ইসতিস্‌কার সালাত আদায় করলেন। তিনি ক্বিবলা (কিবলা/কেবলা)হমুখী হওয়ার সময় স্বীয় চাদরখানা উল্টিয়ে নিলেন।[1] সহীহ : মুসলিম।

Sahih
1168

। বনী আবুল লাহমের মুক্তদাস উমাইর (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে ‘আয-যাওরার’ নিকটবর্তী ‘আহজারুয্ যায়িত’ নামক স্থানে ইসতিসকার সালাত আদায় করতে দেখেছেন। তিনি বৃষ্টি বর্ষণের জন্য দাঁড়িয়ে হাত দু‘টিকে চেহারার সম্মুখে মাথার উপরিভাগ পর্যন্ত উঠিয়ে দু‘আ করেছেন।[1] সহীহ।

Sahih
1169

। জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে কতিপয় লোক (বৃষ্টি না হওয়ায়) ক্রন্দনরত অবস্থায় এলে তিনি দু‘আ করলেনঃ হে আল্লাহ! আমাদেরকে বিলম্বে নয় বরং তাড়াতাড়ি ক্ষতিমুক্ত-কল্যাণময়, তৃপ্তিদায়ক, সজীবতা দানকারী, মুষল ধারায় বৃষ্টি বর্ষণ করো। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তাদের উপর আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে যায় (এবং বৃষ্টি হয়)।[1] সহীহ।

Sahih
1170

। আনাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইসতিস্‌কা ছাড়া অন্য কোন দু‘আতে দু’ হাত উঠাননি। তিনি হাত দু’টিকে এতটুকু উঠাতেন যে, তাঁর বগলদ্বয়ের সাদা অংশ দেখা যেত।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।

Previous section
Page 1 of 4
Next section